বাংলাপ্রিয়বিভাগ
সেই চেনামুখ · পর্ব ১৬

পর্ব ১৬

লেখার আকার

মানুষ ভাবে এক, আর হয় আরেক। আশা ছিল কয়েক মাসের মধ্যেই আমার বোন টয় কার নিয়ে খেলার ট্রেনিং শুরু করতে পারবে।

কিন্তু সে হসপিটাল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর আমি আবিষ্কার করি, সে নিতান্তই বেবি। এখনো হামাগুড়ি দেয়াই শেখেনি।

কি আর করা! মাসখানেকের জন্য আমি, বাবা, মা, আর তাশনুভা চলে যাই গ্রীন রোডে, আমার নানুবাসায়। রাতে চারজন এক খাটে ঘুমাই। বিছানায় রাবার ক্লথ বিছিয়ে। শিশুটা হিশু করে দিলে যাতে তোষক ভিজে না যায়, সেজন্যে।

এমনিতেই গরম একটা দেশ, তার উপর আবার রাবার ক্লথের নৈরাজ্য – এক রাতে মাকে বললাম, ‘Mummy, আজকে কি আমরা এই প্লাস্টিকের বেডশিটটা ছাড়া sleep করতে পারি?’

মা আমার মাথায় হাত বুলিয়ে বলে, ‘কেন, আব্বু?’

‘It’s too hot!’

‘But এটা ছাড়া তো –‘

পাশ থেকে বাবা আমার কথায় সায় দেয়, ‘হ্যা, তাই করি চলো। এমনিতেই ভ্যাবসা গরম, এই জিনিসের জন্য আরোই গরম বেশি মনে হয়!’

গর্ভধারিনী আমাদেরকে কয়েক মিনিট ধরে বুঝানোর চেষ্টা করে হাল ছেড়ে দেয়। আমরা বাপ-ছেলে হাসিমুখে রাবার ক্লথটা সরিয়ে ফেলি।

ফুল স্পিড ফ্যানের নিচে চাদরটাকে মাখনের মতো মনে হয়। আহ, কি শান্তি! কিন্তু ওয়েট, আরেকটু কিছু করা যায়। আমি আর বাবা মিলে ঠিক করি, আজকে যেহেতু মশা কম, মশারি ছাড়াও থাকা যায়।

‘দেইখো, একটা মশাও যদি আমার মেয়েকে কামড়াইছে!’ মা থ্রেট দেয়।

‘আরে না!’ বাবা সবাইকে আশ্বস্ত করে। ‘একদমই মশা নাই। গত দশ মিনিটে একটা মশাও উড়তে দেখি নাই। তাছাড়া মেয়ে তো আমারও…’

মশারি সরিয়ে ফেলতেই ফ্যানের স্পিড ম্যাজিকের মতো দশগুণ বেড়ে যায়। ঠিক তখন জানালার গ্রিলের ফাঁক দিয়ে ঠান্ডা বাতাস ভেসে আসে – কাল-পরশু হয়তো ঝুম বৃষ্টি পড়বে। আর কী চাই?

কিন্তু তাতেও বাবা বা আমি তৃপ্ত হই না। আগের জীবনে বোধহয় দুইজনই যক্ষ ছিলাম। নিজেদের মধ্যে শলা-পরামর্শ করে বাপ-বেটা পরনের স্যান্ডো গেঞ্জি খুলে ফেললাম।

‘আজকে কপালে দুঃখ আছে তোমাদের! দেইখো!’ মা ফোঁস করে বলে।

আমরা তার ভবিষ্যৎবাণী পুরাপুরি উপেক্ষা করে মাখন-শয্যায় হাসিমুখে শুয়ে পড়ি। দেখতে দেখতে যে যার স্বপ্নের ভুবনে চলে যাই। রাত দেড়টার দিকে মা’র ধাক্কাধাক্কিতে আমাদের ঘুম ভাঙে।

কাঁচা ঘুম ধ্বংস হওয়ায় আমি কাঁদতে শুরু করি। বাবা ঢুলুঢুলু চোখে একটা মশা মারতে গিয়ে নিজের গালে নিজে চড় মেরে বলে, ‘কী হৈছে? কী?’

আর্দ্র চাদরটার দিকে ইশারা করে মা ক্লান্ত গলায় বলে, ‘আর কী?’


নানুবাসায় থাকার সেই পুরাটা সময় জুড়ে আমার বোনের কাজ ছিল মূলত ওয়াঁ ওয়াঁ করে মাকে খোঁজা, হাগু-পিশু করা, আর ঘুমানো।

একদিন মা ফর্মালি আমাকে তাশনুভার সাথে পরিচয় করিয়ে দিলো – ‘দেখছ, তোমার বিগ ব্রাদার!’

কিন্তু আমাকে নিয়ে তার মধ্যে কোন ভাবান্তর দেখা গেল না। ছোট্ট কালো কালো চোখগুলি জোনাকির মতো সারাঘর ঘুরে বেড়ালো।

‘When can she start playing with my toys?’ আমি সন্দিগ্ধভাবে মাকে জিজ্ঞেস করি।

‘Soon, soon পারবে।’

‘How soon?’

‘Very soon,’ মা হাসে। ‘দেখবা, দেখতে দেখতে তোমার সিস্টার বড় হয়ে যাবে।’

‘Like next week?’

আবার হাসি। হাসতে হাসতে মা’র চোখে পানি চলে আসে, যেন আমি খুব ফানি কিছু বলে ফেলেছি। এক সপ্তাহ যে মোটামুটি অনেক লম্বা সময়, সেটা আমি কিছুক্ষণ তাকে বোঝানোর চেষ্টা করে অন্য রুমে চলে যাই।


দেখতে দেখতে সময় কেটে যায়, কিন্তু সেই next week আর আসে না।

গ্রীন রোডে আমার নানুবাসা একটা কানা গলিতে। বাসার সামনে এক চিলতে জায়গা, সেখানে আশেপাশের ছেলেপেলেরা খেলতে আসে। আমি কয়েকদিন তাদের সাথে ফ্রেন্ডশিপ করার অনেক চেষ্টা করলাম, কিন্তু আমাকে খেলায় নেয়া তো দূরে থাক, কেউ আমার হাই-হ্যালোর উত্তর পর্যন্ত দিলো না। এতে আমার খুব মন খারাপ হলেও নানী খুব খুশি হয় – আমি তাদের সাথে না খেললেই নাকি ভালো।

যে কোন মানসিক রোগের ব্যাপারে এইটিজের ডায়াগনসিস ছিল খুব সরল। মনের কোন অসুখ করা মানেই রোগী ‘পাগল’। রাস্তায় শিকল পড়ে হাঁটা, বাচ্চাদের ঢিল খেতে খেতে বিভ্রান্ত লোকটা পাগল। ডিপ্রেশনের রোগী পাগল। বয়সজনিত ডিমেনশিয়ায় যে ভোগে, সেও পাগল। এমন কি ডেভেলপমেন্টাল ডিসর্ডার – যেমন অটিজম, ADHD – এইগুলির রোগীও, আর কি? পাগল।

আমার নানীর সিজোফ্রেনিয়া ছিল। আমরা দেশে ফিরতে ফিরতে অবশ্য সে অনেকটাই সুস্থ – তার যে কোন অসুখ ছিল, সেটা প্রথম প্রথম আমি টেরই পাইনি। পরেও হয়তো পেতাম না, কিন্তু বাসার অন্যদের মধ্যে তার ব্যাপারে একধরনের তটস্থতা কাজ করতো – এরকম রোগীদের বেলায় যেমনটা থাকে বা থাকতো। তার প্রত্যেকটা কথা, প্রত্যেকটা কাজের ব্যাপারে সবাই একটু বাড়তি নজর দিত। ক্ষেত্রবিশেষে ভালোবাসা আর স্পায়িংয়ের মধ্যে খুব একটা পার্থক্য থাকে না।

এমনিতে আমার নানী খুব শক্ত মানুষ – কারো কথায় কষ্ট পেয়ে দমে যাবে, সেরকম একেবারেই না। কিন্তু একদিন আমি দেখি, নানী মন খারাপ করে তার বেডরুমে বসে আছে। একটু আগেই ডাইনিং টেবিলে সবার সাথে খেতে খেতে সে খুব খুশি হয়ে কিছু একটা বলতে গিয়েছিল, তখন সে ঠিকঠাক ওষুধ খেয়েছে কিনা – এরকম টাইপ প্রশ্ন হজম করতে হয়েছে।

শুনে নানী এমন ভাব করেছিল যেন এটা খুব নর্মাল প্রশ্ন। আর এখন সে ঠিকই একা একা বেডরুমে বসে আছে, সবার চোখের আড়ালে – মন খারাপ করে। আমার পায়ের শব্দ শুনেই টানটান হয়ে বসে হাসে, যেন কিছুই হয়নি। বলে, ‘ভাইয়া, কিছু লাগবে?’

আমি মাথা নেড়ে বলি, না। তারপর তার পাশে বসে জিজ্ঞেস করি, ‘Why are you sad?’

‘I’m not sad, I’m just tired.’

আমি তাকে জড়িয়ে ধরে বলি, ‘তাহলে কেন তুমি এখানে একা একা বসে আছো?’

‘এম্নেই ভাইয়া, এমনিতেই বসে আছি।’

‘Come and play with me.’

‘কি প্লে করতে চাও?’

‘I can be the teacher, and you can be the student.’

নানী হেসে বলে, ‘আচ্ছা।’ তারপর কি যেন মনে করে উঠে গিয়ে কিছু একটা খুঁজতে আরম্ভ করে।

‘নানু তুমি কি খুঁজতেছ?’

জিনিসটা অবশেষে একটা ড্রয়ারে খুঁজে পাওয়া যায়। নানী হেসে আমার দিকে এগিয়ে দেয় – অনেক পুরানো একটা বই।

‘What is it? A book?’ আমি আগ্রহভরে বলি।

‘হ্যা। এটা আমার ছোটবেলার বই। আমাদের পাঠ্যবই ছিল।’ তারপর যোগ করে, ‘We used to read this book in our school.’

‘Wow!’ সেই প্রাচীন গ্রন্থ নাড়াচাড়া করতে করতে আমি বলি। ‘That means it must be one hundred years old!’

‘কী! তোমার মনে হয় আমার বয়স one hundred?’

‘Well, isn’t it?’

শুনে ধবধবে সাদা মানুষটা হাসতে শুরু করে। আমার মা যেভাবে হাসে, একদম সেরকম।


আমাকে দেখে নানী ঝলমল করে, এটা-ওটা বানিয়ে খাওয়ায়।

লন্ডন থেকে ফিরে দেশীয় খাবার আমি গিলতাম ঠিকই, কিন্তু তেমন একটা পছন্দ করতাম না। কোথায় KFC আর কোথায় এসব হাবিজাবি! কিন্তু নানীর রাঁধা মুরগির তরকারি খেয়ে আমি সত্যি সত্যি মুগ্ধ হয়ে যাই। একটা দেশি মুরগি অল্প কিছু মশলা দিয়ে ঝোল করে রাঁধলে কতটা সুস্বাদু হতে পারে – সেই রান্না যে খায়নি, তার কোন ধারণাই নাই।

আমার ব্যাপারে সে ভয়াবহ রকমের প্রোটেকটিভ, তাই আমার যার-তার সাথে খেলাটা তার ভীষণ অপছন্দ। নানীর ইচ্ছা, আমি বড় হয়ে ইঞ্জিনিয়ার হবো। যার-তার সাথে খেললে আমার নাকি রেজাল্ট খারাপ হবে। ইঞ্জিনিয়ারিং পড়া আর হবে না।

আমরা একসাথে গল্পের বই পড়ি। নানীর ছোটবেলার সেই বইটা, লন্ডন থেকে নিয়ে আসা আমার দুই-একটা বই। সময় কাটানোর জন্য আমি টিচার সেজে মাঝেমধ্যে তার ভাইভা নিই।

‘তুমি কি 1 to 100 count করতে পারো?’ আমি নানীকে জিজ্ঞেস করি।

‘পারি,’ বলে নানী হাই তোলে। ততক্ষণে এই খেলাটা অলরেডি কয়েকবার খেলা হয়ে গেছে।

‘বলো তো?’

নানী ইংরেজিতে সংখ্যা গণনা শুরু করে। আমি ঈগলের মতো চোখ করে তার মুখ থেকে নাম্বারগুলি বের হতে দেখি। ভুল নাম্বার বের হলেই ধরে ফেলবো।

‘… সিক্সটি ফোর, সিক্সটি সিক্স, সিক্সটি সেভেন –‘

‘Wait, you didn’t say sixty five.’

‘স্যরি, সিক্সটি সেভেন, সিক্সটি এইট –‘

‘নানু, you’re not listening again! You didn’t say sixty-five!’

‘ও আচ্ছা স্যরি, আবার সিক্সটি ফাইভে থেকে বলতে হবে?’

‘No, from the beginning.’

‘… একদম ওয়ান থেকে?’

আমি মাথা নাড়ি। ‘Or else how will you learn it properly?’

‘আচ্ছা ভাইয়া, কি আর করা। ওয়ান, টু, থ্রি, ফোর…’


আমার চোখে তখন রোগী বলতে তখন নানুবাসায় একজনই – আমার নানাভাইয়া। তার ডায়াবেটিস ছিল।

ফ্রিজের তাকে তার ইনস্যুলিন থাকতো। প্রতিদিন নানাভাইয়াকে সেই ইনস্যুলিনের ইনজেকশন নিতে হতো।

‘নানাভাই, does it hurt?’ আমি ভয়ে ভয়ে জিজ্ঞেস করতাম।

‘না ভাইয়া,’ বলে নানাভাই সুঁইয়ের খোঁচা খেয়ে একটা ব্যথা-পাওয়া চেহারা করতো।

মা’র কাছে জানলাম, ডায়াবেটিস নাকি বেশ সিরিয়াস অসুখ। ঠিকমত চিকিৎসা না করলে মৃ… না মানে, খুব খারাপ কিছু ঘটতে পারে।

‘Like dying?’

‘হ্যা.. no I mean, হসপিটালে যেতে হতে পারে!’

‘Really?’ আমি চোখ বড় বড় করে বলি।

‘রিয়েলি!’ মা খুব কনফিডেন্সের সাথে মাথা নাড়ে।

আমি ভ্যা করে কেঁদে ফেলি। ঘটনা কি জানতে পেরে নানাভাই হাসতে হাসতে আমাকে কোলে তুলে আদর করে – এবং কথা দেয়, সে খুব কেয়ারফুল থাকবে।

‘But how will you be careful?’ আমি সুধাই।

নানাভাই তখন আমাকে সুগার, ইনস্যুলিন, হরমোন, ইত্যাদি নিয়ে অনেক কিছু বোঝায়। সব ইনফরমেশন আমার মাথার উপর দিয়ে যাচ্ছে দেখে পাশ থেকে নানী বিরক্ত হয়ে বলে – ‘তোমার নানাভাইয়াকে বলো খাওয়াদাওয়া কন্ট্রোল করতে, তাইলেই আর হাসপাতালে যাওয়া লাগবে না!’

অতএব, বাকি দিনটুকু নানাভাই কোন কিছু খেতে গেলেই আমি তাকে শীতল গলায় মনে করিয়ে দেই – খাওয়া-দাওয়া বুঝে করতে হবে, একটুও বেশি না, কমও না। আমার অত্যাচারে সে ফ্রিজের কাছে যাওয়াই বন্ধ করে দেয় – এবং সেদিনকার মতো ইনস্যুলিন নিতে ভুলে যায়।

পরদিন মা’র কাছে সেজন্য আমি মৃদু একটা ঝাড়ি খাই। ঝাড়ি খেয়ে আমি ঠোঁট উল্টে বসে থাকার পাঁচ মিনিটের মধ্যেই নানাভাই আমার ‘মন ভালো করতে’ বাসা থেকে বের হয়ে যায়।

বসে বসে আমি ভাবি – কি স্বার্থপর লোকটা! আমার মন ভালো করতে হলে তাকে বাসা থেকে যেতে হবে কেন? নিশ্চয়ই সিগারেট খেতে বের হয়েছে, বা এরকম একটা কিছু।

কিন্তু আধা ঘন্টা পর নানাভাই ডজনখানেক পিংপং বল নিয়ে হাসিমুখে বাসায় ঢোকে – আগের দিন আমি একটা পিংপং বল নিয়ে খেলতে খেলতে হারিয়ে ফেলেছিলাম, সেটা তার মনে ছিল। এখনো চোখে ভাসে, বয়স্ক লোকটা হাসছে আর বলছে – ‘খেলো নানাভাইয়া, খেলো!’

আর আমি দুই হাতে পিংপং বল ছুড়ছি – খেয়ালি বড়লোকরা বিদেশের রাস্তায় যেভাবে টাকা ছুড়ে বেড়ায়, একদম সেরকম।


শেষ পর্যন্ত ডায়াবেটিস আমার নানাকে নিতে পারেনি। সিজোফ্রেনিয়াও আমার নানীকে হারাতে পারেনি।

নানরুটি আর কাবাব নানাভাইয়ের খুব প্রিয় ছিল। কিন্তু তার যে অসুখ তাতে রেগুলার নানরুটি খেলে মুশকিল – তাই সে ডায়াবেটিক নান কিনে আনতো। আমি আজ অবধি এত মজার শিক কাবাব এবং এত জঘন্য নানরুটির কম্বিনেশন খুব কম খেয়েছি।

মাঝেমধ্যে তাকে ফ্রিজ থেকে চুপিচুপি মিষ্টি খেতে দেখা যেত। সেটা হাইপো এড়াতে নাকি আফসোস এড়াতে, আল্লাহ মালুম।

লোকটার কথাবার্তার মধ্যে একধরনের স্বচ্ছতা ছিল – অনেক কষ্ট করে পড়াশোনা করে, চাকরিবাকরি করে নিজের পায়ে স্থিত হওয়া মানুষের মধ্যে যে ধরনের স্বচ্ছতা থাকে, সেইরকম।

নানাকে আমি বেশিদিন পাইনি। নানীকে পেয়েছি, সেজন্যই হয়তো তার স্মৃতি তুলনামূলকভাবে আমার মনে উজ্জ্বল। লিখতে লিখতে আমার বোধোদয় – স্মৃতিচারণ মানেই এপিটাফের ছড়াছড়ি। আমার প্রিয় চরিত্রদের প্রায় কেউই এখন আর বেঁচে নেই। তার উপর সময়ের যাঁতাকলে চ্যাপটা হয়ে একেক জন আবার কেমন যেন সারাংশ হয়ে গেছে, অনেকটা কম্পিউটারে zip ফাইলের মতো।

এত বছর পর যখন নানাভাইয়ের কথা ভাবি, তখন প্রথমেই মনে পড়ে সেই এক ডজন পিংপংয়ের বলের কথা। আর আমার নানীর কথা ভাবলে একটা গন্ধ পাই – সেই জিভে-জল-আনা মুরগির ঝোলের গন্ধ।

[ চলবে ]

সেই চেনামুখ · ২৪ পর্ব

সব পর্ব

এই লেখককে আরও পড়ুন